বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী-এর অভিনন্দন

Aug 25, 2016 |

শিল্পী হাশেম খান

জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হওয়ায়

বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী-এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন

জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন সভাপতি শিল্পী হাশেম খান

চিত্রশিল্পী হাশেম খান—ফাইল ছবি

চিত্রশিল্পী হাশেম খান

বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খানকে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি মনোনীত হয়েছেন।

সম্প্রতি জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে শিল্পী হাসেম খানকে ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি মনোনীত করা হয়। তিনি কবি এম আজিজুর রহমান আজিজের স্থলাভিসিক্ত হলেন। গত মে মাসে জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়।

এর আগে ২০১০ সালে হাশেম খান জাদুঘরের ট্রাস্টি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের সংরক্ষক নূরে নাসরীন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাদুঘর অধ্যাদেশ-১৯৮৩ এর ৬ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ড ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা হলেন—অধ্যাপক আলমগীর মো. সিরাজ উদ্দিন, অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, স্থপতি কবি রবিউল হুসাইন, অধ্যাপক ড. সুলতানা শফি, অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ড. সোনিয়া নিশাত আমিন এবং ড. মো. মোবারক হোসেন।

এছাড়া পদাধিকারবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদফতরের পরিচালক, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি এবং জাদুঘরে নিদর্শন উপহার প্রদানকারীদের প্রতিনিধি হিসাবে এজাজুর রহমান ট্রাস্টি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী।

জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন সভাপতি শিল্পী হাশেম খান ১৯৪১ সালের ১ জুলাই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেকদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। অলংকরণ শিল্পে তার খ্যাতি অসামান্য। কর্মজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ হাশেম খান একুশে পদক (১৯৯২) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১১) অর্জন করেন।

Posted in: